পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় নিখোঁজের দুই দিন পর নিজ বাড়ির রান্নাঘরের বারান্দা থেকে আয়েশা মনি (১১) নামে এক স্কুলছাত্রীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত আয়েশা মনি, সে রাঙ্গাবালী ছালেহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার বিকেল থেকে আয়েশা মনি নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে রোববার বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে রাঙ্গাবালী উপজেলার সদর ইউনিয়নের মাঝনেতা গ্রামে তাদের বসতবাড়ির রান্নাঘরের বারান্দায় রাখা একটি বস্তার ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পারিবারিক সূত্র জানায়, আয়েশা মনি তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট। তার বাবা বাবুল প্যাদা পেশায় দিনমজুর। মা আছমতারা দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে অবস্থান করে পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করছেন।
রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে সন্দেহ পুলিশের। হত্যার পর মরদেহ বস্তায় ভরে গুমের চেষ্টা করা হয়।
তিনি আরও জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
নিহত আয়েশা মনি, সে রাঙ্গাবালী ছালেহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার বিকেল থেকে আয়েশা মনি নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে রোববার বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে রাঙ্গাবালী উপজেলার সদর ইউনিয়নের মাঝনেতা গ্রামে তাদের বসতবাড়ির রান্নাঘরের বারান্দায় রাখা একটি বস্তার ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পারিবারিক সূত্র জানায়, আয়েশা মনি তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট। তার বাবা বাবুল প্যাদা পেশায় দিনমজুর। মা আছমতারা দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে অবস্থান করে পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করছেন।
রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে সন্দেহ পুলিশের। হত্যার পর মরদেহ বস্তায় ভরে গুমের চেষ্টা করা হয়।
তিনি আরও জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।